গোল্ডেন সদস্য

যারা একটি শক্ত “নৈতিক আদর্শ”,’দেশপ্রেম’, নিয়ে আছে, যার মধ্যে কোন পুরুস্কারের আশা ছাড়া ভাল এর জন্য নিজের নিরাপত্তা ঝুঁকি নেয়ার ইচ্ছাও বর্তমান তাঁরাই আমাদের গোল্ডেন সদস্য,আমাদের “দা স্পিরিট অর হিরো” !

এরা হল আমাদের জন্যে একটি “প্রেরণা”, যেমন দায়িত্ববোধ ও অপরাধবোধ, আনুষ্ঠানিক আহ্বান, শৈশবের মানসিক আঘাত কিংবা অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত বিবাদ, অথবা মানবতা ও ন্যায়বিচারের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাসস্বাবলম্বী কিংবা এমন পেশায় নিয়োজিত যেটি আমাদের প্রেরনা যোগায়।

এরাই হবে মূলত হেয়ফ সংগঠনের চালিকা শক্তি বা এদের কে এই সংগঠনের প্রানও বলা যেতে পারে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের দক্ষ সফল আদর্শ দেশপ্রেমিক নাগরিকদের নিয়ে গঠিত এই বিভাগ, প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে সংগঠনের দায়িত্ব পালন করবেন এবং দায়িত্ববান তরুণ হেয়ফ মেম্বারদেরকে বিভিন্নপ্রকার নির্দেশনার মাধ্যমে পরিচালিত করবেন। তাদের সবাইকেই মনে রাখতে হবে আগামীর স্বপ্নের বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এই তরুণ সমাজ। এই তরুণ সমাজকে হতে হবে মাদকাসক্তি মুক্ত। বায়ান্ন, বাষট্টি, উনসত্তর, একাত্তর এবং নব্বইয়ের আন্দোলন সফল করেছে তরুণ সমাজ। তাই মাদকবিরোধী আন্দোলনে তরুণ সমাজকেই নেতৃত দিতে হবে। অনেক মেধাবী তরুণ, বরেণ্য শিল্পীকে দেখা গেছে যারা মাদকাসক্তির কারণে শুধুই ক্যানিয়ার নয় জীবন থেকেই হারিয়ে গেছে।

তরুণ প্রজন্মের সামনে সব সময় অনেক আকর্ষণের হাতছানি থাকে। তারা নিষিদ্ধ দ্রব্যের প্রতি বরাবরই আকর্ষণ বোধ করে। তাই বয়ঃসন্ধিকালে ছেলে ও মেয়েকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে হয়। এ সময় তারা যদি সঠিক পথচলার নির্দেশনা না পায়, তাহলে বিপদ থেকে ফেরানো কঠিন হয়ে পড়ে। এ ছাড়া তথ্যপ্রযুক্তির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার তরুণদের ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির দিকে তরুণদের ঝোঁকার কারণ হলো তাদের বিনোদনের কোনো ভালো ব্যবস্থা নেই। সন্তানকে পাঠ্য বইয়ের বাইরে ভালো বই পড়ার আগ্রহ তৈরি করে দিতে আমরা অনিচ্ছুক। বই মানুষের সত্যিকারের বন্ধু। তাকে প্রকৃতির কাছে নিয়ে যেতে হবে। তার মধ্যে দেশপ্রেম জাগাতে হবে। আর্থিকভাবে অসচ্ছলতাও তরুণদের এ পথে পা বাড়াতে অনেকখানি সহায়তা করছে। সমাজের তরুণদের সন্ত্রাস ও জঙ্গিতে জড়িয়ে পড়ার প্রধান কারণও হলো সন্তানের প্রতি মা-বাবার অবহেলা। এ ছাড়া মাদক তরুণদের মানসিক ভারসাম্য ধ্বংস করে দিচ্ছে।  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সংস্কৃতি ও খেলাধুলার চর্চা, পাঠাগারে সাহিত্যচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। পর্নো, মাদক – এসব থেকে সন্তানের নিরাপদ দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

এই তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারেই আমাদের উন্নতি করতে হবে। তল্লাশিব্যবস্থায় আনতে হবে আধুনিকতা। হেয়ফ প্রত্যেক মেম্বারকে সাংগাঠনিক ডাটাবেইসের আওতায় নিয়ে আসা হবে। সবার কাছে থাকবে ইলেকত্রনিক পরিচয়পত্র। ইনতারনেটে অথবা মোবাইলে কোন মেম্বার কে নতুন কোনো এলাকায় গেলে কর্তৃপক্ষ তার পরিচয়পত্র পরীক্ষা করে মানদন্ড যাচাই করতে পারবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, দেশটা সবার। দেশের এই ক্রান্তিকাল থেকে মুক্ত না হলে আমরা কেউই শান্তিবোধ করতে পারি না। বিপথে যাওয়া তরুণদের মা-বাবারা আজ অনুশোচনায় ভুগছেন। তাঁদের থেকে অন্য অভিভাবকদেরও শিক্ষা নিতে হবে। আপনার সাফল্যর ও ব্যর্থতার সংজ্ঞাও আপনার সন্তানের উপর প্রভাব ফেলে ।

মনে রাখতে হবে, আমি জাতীয়তায় বাঙালি, বাংলাদেশ আমার মাতৃভূমি।

গোল্ডেন মেম্বারদের সুবিধাবলী:

  1. হেয়ফ ক্লাবের পক্ষ থেকে সবার জন্য একটি ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট ও ইমেইল একাউন্ট থাকবে।
  2. একটি গোল্ডেন ব্যাজ ও একটি গোল্ডেন ইলেক্ট্রনিক আইডি কার্ড প্রদান করা।
  3. অন্যান্য সুবিধাবলী পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

সম্মানিত গোল্ডেন সদস্যদের তালিকা দেখতে ক্লিক

Copyright © 2019 HEYF CLUB | Audioman by Catch Themes